মরিঙ্গা পাউডার - ৫০% ডিসকাউন্ট
  • মরিঙ্গা পাউডার - ৪২% ডিসকাউন্ট  Shop now
  • Need help? Call Us:   +8809613827475

বয়স্কদের রোজা রাখার ক্ষেত্রে পরিবারের করণীয় কি?

বয়স্কদের রোজা রাখার ক্ষেত্রে পরিবারের করণীয় কি?

বয়স্কদের রোজা রাখার ক্ষেত্রে পরিবারের করণীয়
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে নানা ধরনের রোগব্যাধি বাসা বাঁধে, যার ফলে অনেক বয়স্ক ব্যক্তি নিয়মিত ওষুধ গ্রহণ করেন। রমজান মাসে তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ অসুস্থতার কারণে রোজা রাখতে পারেন না, আবার অনেকে শারীরিক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও রোজা রাখতে চান। তাই পরিবারের সদস্যদের কিছু বিষয় বিশেষভাবে খেয়াল রাখা জরুরি, যাতে তাঁদের জন্য রোজা রাখা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক হয়।

সঠিক খাবার ও পুষ্টি নিশ্চিত করা:
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হজমশক্তি কমে যায়, ফলে অনেকেই ভারী বা মসলাযুক্ত খাবার সহ্য করতে পারেন না।
রমজানে ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত তেল-মসলা দেওয়া খাবার এড়িয়ে সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবারের ব্যবস্থা করা উচিত।
ইফতার ও সাহ্‌রিতে তাঁদের জন্য আলাদা করে হালকা ও স্বাস্থ্যকর খাবার রাখতে হবে।
অনেক পরিবারে দেখা যায়, রোজা না রাখলে তাঁদের জন্য আলাদা খাবারের ব্যবস্থা করা হয় না, ফলে তাঁরা আগের দিনের বাসি খাবার খেতে বাধ্য হন, যা বদহজম বা ফুড পয়জনিংয়ের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই তাঁদের খাবার সদ্য প্রস্তুত ও পুষ্টিকর হওয়া প্রয়োজন।


সঠিক সময়ে ওষুধ গ্রহণ:
বয়স্কদের অনেকেই একসঙ্গে একাধিক ওষুধ গ্রহণ করেন, কিন্তু রোজার কারণে ওষুধের সময়সূচি পরিবর্তন করতে হতে পারে।
পরিবারের সদস্যদের খেয়াল রাখতে হবে, তাঁরা যেন সঠিক সময়ে ওষুধ খান এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেন।
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ইনসুলিনের ডোজ পরিবর্তন করতে হতে পারে, যা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া করা উচিত নয়।
রোজা রাখার সময় যদি তাঁরা হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন, অতিরিক্ত ঘাম হয়, বুক ধড়ফড় করে বা চোখে ঝাপসা দেখেন, তাহলে দ্রুত রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা পরীক্ষা করতে হবে।
যদি সুগার কমে যায় (হাইপোগ্লাইসেমিয়া হয়), তাহলে রোজা ভেঙে ফেলতে হবে।


পর্যাপ্ত পানি পান নিশ্চিত করা:
সন্ধ্যা থেকে সাহ্‌রি পর্যন্ত যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান করা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশনের সমস্যা না হয়।
কিডনি রোগী, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য পানির পরিমাণ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে।


মানসিকভাবে পাশে থাকা:
ইফতার ও সাহ্‌রির সময় পরিবারের সবাই একসঙ্গে খেতে বসলে বয়স্করা আনন্দ বোধ করেন।
তাঁরা যদি অসুস্থতার কারণে রোজা রাখতে না পারেন, তবে তাঁদের প্রতি সহমর্মিতা দেখানো উচিত, যাতে তাঁরা মনঃকষ্টে না ভোগেন।
পরিবারের সদস্যদের উষ্ণতা ও ভালোবাসায় তাঁরা মানসিকভাবে স্বস্তি অনুভব করেন, যা তাঁদের সুস্থ থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


পরিবারের সচেতনতা ও সহমর্মিতাই বয়স্কদের জন্য রোজাকে স্বস্তিদায়ক ও নিরাপদ করে তুলতে পারে। 💙


Your experience on this site will be improved by allowing cookies Cookie Policy