মরিঙ্গা পাউডার - ৫০% ডিসকাউন্ট
  • মরিঙ্গা পাউডার - ৪২% ডিসকাউন্ট  Shop now
  • Need help? Call Us:   +8809613827475

Amader Oil

নিয়মিত সরিষার তেল খেলে কি হৃদরোগের ঝুঁকি কমে আসুন জেনে নিই

নিয়মিত সরিষার তেল খেলে কি হৃদরোগের ঝুঁকি কমে আসুন জেনে নিই

গবেষণায় দেখা গেছে যে, সরিষার তেল ব্যবহারে হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোর হার:

একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রধান রান্নার তেল হিসেবে সরিষার তেল ব্যবহার করেন, তাদের করোনারি হৃদরোগের (CHD) ঝুঁকি প্রায় ৭০% পর্যন্ত কমে যায়। এই গবেষণাটি হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল, অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (AIIMS), এবং সেন্ট জনস মেডিক্যাল কলেজ, বেঙ্গালুরুর যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হয়েছিল ।The Times of India

অন্যান্য গবেষণার ফলাফল:

আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, সরিষার তেল এবং মাছের তেল ব্যবহারকারীদের মধ্যে হৃদরোগের ঘটনা যথাক্রমে ২৮% এবং ২৪.৫% ছিল, যেখানে প্লেসবো গ্রুপে এটি ছিল ৩৪.৭%। এই ফলাফলগুলি নির্দেশ করে যে, সরিষার তেল হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে ।

সরিষার তেল কেন খাবেন? – উপকারিতা ও বৈজ্ঞানিক কারণ

সরিষার তেল (Mustard Oil) শুধু একটি রান্নার উপাদান নয়, এটি স্বাস্থ্য রক্ষার জন্যও বহুমুখী উপকারে আসে। হাজার বছর ধরে উপমহাদেশের আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা, ঘরোয়া রন্ধনশৈলী এবং ত্বক ও চুলের যত্নে সরিষার তেল ব্যবহার হয়ে আসছে।

নিচে সরিষার তেল খাওয়ার প্রধান কারণগুলো তুলে ধরা হলো:

✅ ১. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
সরিষার তেলে মনো-আনস্যাচুরেটেড এবং পলি-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড (MUFA ও PUFA) থাকে, যা খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়ায়।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত সরিষার তেল ব্যবহার করেন, তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি প্রায় ৭০% কমে যায়।
🔗 [সূত্র: Times of India, AIIMS ও Harvard গবেষণা]

✅ ২. অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ
সরিষার তেলে প্রাকৃতিকভাবে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান থাকে। এটি সংক্রমণ ও ফাঙ্গাস প্রতিরোধে সাহায্য করে।

রেসপিরেটরি সমস্যা (হাঁপানি, ঠান্ডা) উপশমেও কার্যকর।

✅ ৩. হজমে সাহায্য করে
সরিষার তেলে থাকা উপাদান হজমে সহায়তা করে এবং পিত্ত নিঃসরণ বাড়িয়ে খাবার ভাঙাতে সাহায্য করে।

এটি অন্ত্রে গ্যাস কমায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে।

✅ ৪. ত্বক ও চুলের যত্নে উপকারী
সরিষার তেল চুল পড়া কমায়, স্ক্যাল্পে রক্তসঞ্চালন বাড়ায়, চুল ঘন ও মজবুত করে।

ত্বকে ব্যবহার করলে এটি ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে এবং শুষ্কতা ও চুলকানি কমায়।

✅ ৫. প্রাকৃতিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
সরিষার তেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে সেলেনিয়াম, জিঙ্ক এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, যা ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে।

✅ ৬. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ক্যান্সার প্রতিরোধকারী উপাদান
সরিষার তেলে থাকা গ্লুকোসিনোলেট এবং অ্যালিল আইসোথায়োসায়ানেট ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।

✅ ৭. প্রাকৃতিক কনজারভেটিভ
রান্নায় সরিষার তেল ব্যবহার করলে খাবার সহজে নষ্ট হয় না; এটি একটি প্রাকৃতিক সংরক্ষণ উপাদান।

⚠️ সতর্কতা:
অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে এতে থাকা ইরুসিক অ্যাসিডের কারণে হৃদপিণ্ডে সমস্যা হতে পারে (বিশেষ করে unrefined ও রিফাইন্ড না করা তেলে)।
“কাঠের ঘানির খাঁটি সরিষার তেল” স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তবে পরিমাণজ্ঞান রেখে এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে এটি গ্রহণ করলেই আপনি পাবেন এর সর্বোচ্চ উপকার।

আমাদের কাঠের ঘানির খাঁটি সরিষার তেল কেন খাবেন? 

কাঠের ঘানিতে (বা "কোল্ড প্রেসড") তেল নিষ্কাশন করার পদ্ধতি হলো প্রাচীন, প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যসম্মত এক পদ্ধতি। এতে সরিষার বীজকে কোনোরূপ কেমিক্যাল বা উচ্চ তাপ ছাড়াই ধীরে ধীরে ঘুরিয়ে তেল বের করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় তেলের পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে।

এখানে তুলে ধরা হলো কাঠের ঘানির খাঁটি সরিষার তেল খাওয়ার বেশ কয়েকটি মূল কারণ:

*পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ থাকেঃ 
কাঠের ঘানিতে নিষ্কাশিত তেলে উচ্চ তাপে ভাজা হয় না, ফলে এর প্রাকৃতিক ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন E, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বজায় থাকে।উচ্চতাপে তেল প্রক্রিয়াজাত হলে অনেক ভালো ফ্যাটি অ্যাসিড ধ্বংস হয়ে যায় — যা কাঠের ঘানিতে হয় না।

*কোনো কেমিক্যাল বা প্রিজারভেটিভ নেইঃ 
রিফাইন্ড তেলের মতো এতে Hexane, Bleaching Agent বা Deodorizer মেশানো হয় না।সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক, যা শরীরের জন্য নিরাপদ এবং দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতি করে না।

*হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে কার্যকরঃ
এতে থাকা MUFA, PUFA ও ALA (Alpha Linolenic Acid) রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়ায়। গবেষণায় প্রমাণিত, নিয়মিত ব্যবহার হৃদরোগের ঝুঁকি ৭০% পর্যন্ত কমাতে পারে (সূত্র: AIIMS & Harvard Study)।

* হজমে সহায়ক এবং গ্যাস-অম্বল কমায়ঃ 
কাঠের ঘানির খাঁটি তেল হজমে সাহায্য করে, অন্ত্রে পিত্ত নিঃসরণ বাড়ায় ও কোষ্ঠকাঠিন্য হ্রাস করে।

* চুল ও ত্বকে আশ্চর্যজনক উপকারঃ
এটি মাথার ত্বকে পুষ্টি জোগায়, চুল পড়া কমায়, উকুন ও খুশকি দূর করে।শুষ্ক ত্বক, র‍্যাশ বা চুলকানিতে উপকারী — বিশেষ করে শিশুদের জন্য নিরাপদ।

*প্রাকৃতিক গন্ধ ও স্বাদের জন্যঃ
কাঠের ঘানির তেলে সরিষার আসল ঝাঁজ ও সুগন্ধ থাকে যা রান্নার স্বাদ বাড়িয়ে তোলে।ভেজালমুক্ত ঘ্রাণ ও স্বাদের জন্য অভিজ্ঞরা এই তেলই বেছে নেন।

*স্থানীয় কৃষকদের সমর্থন ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিঃ
কাঠের ঘানির খাঁটি তেল সাধারণত স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয়, যা আমাদের কৃষকদের আয় বাড়ায় এবং পরিবেশ রক্ষা করে।

কাঠের ঘানির খাঁটি তেল এবং  মেশিনে তৈরি তেল এর পার্থক্যঃ

তেল উৎপাদনের পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে তেলের গুণগত মান, স্বাদ, পুষ্টিগুণ এবং স্বাস্থ্য উপকারিতা ভিন্ন হয়ে থাকে। নিচে কাঠের ঘানির তেল ও মেশিনে তৈরি (রিফাইন্ড) তেল–এর মধ্যে মূল পার্থক্য তুলে ধরা হলো:

 কাঠের ঘানির খাঁটি তেলমেশিনে তৈরি/রিফাইন্ড তেল
উৎপাদন পদ্ধতিকাঠের ঘানি (ধীরে ঘূর্ণন, সাধারণত ২০-৪০ RPM)হাই-স্পিড স্টিল মেশিন (৫০০-১০০০ RPM বা তার বেশি)
তাপমাত্রা  কম তাপমাত্রায় (ঠান্ডা চাপা / Cold Pressed)  উচ্চ তাপমাত্রা (১৫০°C বা তার বেশি)
কেমিক্যাল ব্যবহারনা  – সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকহেক্সেন, ব্লিচিং এজেন্ট, ডিওডোরাইজার ইত্যাদি ব্যবহার হয়
পুষ্টিগুণ ওমেগা ৩, ভিটামিন E, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অক্ষুণ্ণ থাকেঅধিকাংশ পুষ্টিগুণ তাপে ও কেমিক্যালে নষ্ট হয়ে যায়
স্বাদ ও ঘ্রাণসরিষার প্রাকৃতিক ঝাঁজ ও সুগন্ধ বজায় থাকেকৃত্রিমভাবে গন্ধহীন ও স্বাদহীন
সংরক্ষণ ক্ষমতা অল্প সময়, কারণ কোনো কেমিক্যাল থাকে না (সাধারণত ৩-৪ মাস) দীর্ঘ সময়, কেমিক্যাল ব্যবহার করে সংরক্ষণযোগ্য (৬-১২ মাস বা তার বেশি)
স্বাস্থ্য উপকারিতাহৃদরোগ, হজম, ত্বক, চুল, রোগপ্রতিরোধে সহায়ক লং টার্মে হার্ট, লিভার ও হরমোনের ক্ষতি হতে পারে
উৎপাদন খরচ তুলনামূলক বেশি (কম উৎপাদন, বেশি সময় লাগে) কম খরচে প্রচুর উৎপাদন সম্ভব
পরিবেশ প্রভাব পরিবেশবান্ধব, কম শক্তি প্রয়োজন অধিক বিদ্যুৎ ও রসায়ন নির্ভর

  
 যদি আপনি নিজের ও পরিবারের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে চান, তবে কাঠের ঘানির খাঁটি তেল বেছে নিন। যদিও দাম একটু বেশি হতে পারে, তবে এটি ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য খরচ

বাঁচাবে। 

কোথাই  পাওয়া যাবে?

আমাদের ওয়েবসাইট:   
সরাসরি Amadere.comএ অর্ডার করুন। এখানে পণ্য সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এবং অফারও পাবে

ফেসবুক পেজ:  
আমাদের™-এর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে মেসেঞ্জার ব্যবহার করে সরাসরি অর্ডার দিতে পারেন। http://m.me/amaderecommerce  

আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ : https://wa.me/1615980395  
📌 বিভিন্ন অফার পেতে আমাদের অফিশিয়াল ফেইসবুক গ্রুপে জয়েন্ট করুন :   https://www.facebook.com/groups/amaderefamily

আমাদের™ ব্রান্ডের প্রোডাক্ট বিক্রয় ও বিপনের জন্য  অনুমোদিত এজেন্ট হতে চাইলে যোগাযোগ করুন। 
অর্ডার  করতে ও  পাইকারি  পেতে  আপনার পূর্ণাঙ্গ  ঠিকানা এবং ফোন নাম্বার আমাদের ইনবক্স করুন।           
অথবা ফোন করুন: +8801615980394, +8801615980395.  

পোস্টটি ভাল লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন।


Your experience on this site will be improved by allowing cookies Cookie Policy