রোজায় কোষ্ঠকাঠিন্য হলে কী করবেন?

রোজায় কোষ্ঠকাঠিন্য হলে কী করবেন?
রমজানে খাদ্যাভ্যাস, ঘুমের সময়সূচি ও দৈনন্দিন রুটিনে পরিবর্তন আসায় অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন। বিশেষ করে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খেলে বদহজমসহ নানা ধরনের পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই পেট ভালো রাখতে কিছু সহজ অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।
আঁশযুক্ত খাবার খান
সাহ্রি ও ইফতারে পর্যাপ্ত পরিমাণে আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া উচিত।
খাবারের তালিকায় রাখুন লাউ, ঢেঁড়স, পেঁপে, আপেল ও কলার মতো আঁশসমৃদ্ধ ফল-সবজি।
লাল চালের ভাত, লাল আটার রুটি, ওটস, বিভিন্ন রকমের ডাল ও ছোলা হজমে সহায়ক।
খেজুরে প্রচুর ফাইবার থাকে, তাই প্রতিদিন অন্তত একটি খেজুর রাখার চেষ্টা করুন।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন
পানিশূন্যতার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে, তাই ইফতার থেকে সাহ্রি পর্যন্ত অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করুন।
অতিরিক্ত চা, কফি ও কোমল পানীয় পরিহার করুন, কারণ এগুলো শরীর থেকে তরল বের করে দেয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়িয়ে তোলে।
প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন
প্রাকৃতিক ও ঘরে তৈরি খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
ফাস্ট ফুড, অতিরিক্ত চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার পরিহার করুন, কারণ এগুলো হজমে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
অতিরিক্ত তেল-মসলা পরিহার করুন
ইফতারে ডুবো তেলে ভাজা খাবার কমিয়ে সেদ্ধ বা ভাপানো খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।
রান্নায় কম তেল ব্যবহার করলে পেটের সমস্যা ও ওজন বাড়ার আশঙ্কা কমে।
নিয়মিত শরীরচর্চা করুন
রোজায় সকালে ভারী ব্যায়াম করা কঠিন হলেও রাতে হালকা ব্যায়াম, স্ট্রেচিং বা ধীরগতিতে হাঁটা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়ক।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে টয়লেটে যাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন এবং প্রাকৃতিক খাবারের ওপর বেশি জোর দিন।
ইফতারের সময় পানিতে ইসবগুলের ভুসি বা চিয়া সিড মিশিয়ে পান করতে পারেন।
সাহ্রিতে খাওয়ার কিছুক্ষণ পর গরম পানিতে লেবু বা গরম দুধ পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য কমবে।
এই ছোট ছোট অভ্যাসগুলো রমজানে আপনার হজমশক্তি ঠিক রাখতে সহায়ক হবে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করবে। 🌿










