কিডনি রোগীদের জন্য যবের ছাতু বা যবের আটা খাওয়া সম্ভব, তবে সেটা নির্ভর করে কিডনি রোগের ধরণ, স্টেজ, এবং রোগীর শরীরের অন্যান্য প্যারামিটারের উপর (যেমন: পটাশিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম ও প্রোটিনের মাত্রা)। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হলো :

যবের গুণাগুণ (Barley) :

উচ্চ ফাইবার: যব হজমে সহায়ক, কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়তা করে।

লো সোডিয়াম: প্রাকৃতিকভাবে যবে সোডিয়ামের পরিমাণ কম, যা কিডনির জন্য উপকারী।

কম ফ্যাট ও চিনি – ওজন ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ: ডায়াবেটিক কিডনি রোগীদের জন্য ভালো হতে পারে।

বিটা-গ্লুকান: এটি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক, যা কিডনি রোগীদের হৃদরোগ ঝুঁকি কমায়।
যেসব ক্ষেত্রে সাবধানতা দরকার :

যদি কিডনির কার্যকারিতা খুব কমে যায় (CKD Stage 4 বা 5) :
তখন পটাশিয়াম ও ফসফরাস নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি হয়।
যব তুলনামূলকভাবে এই দুই উপাদানে কিছুটা সমৃদ্ধ, তাই সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।

যদি রোগী ডায়ালিসিসে থাকেন :
তখন কিছুটা যব খাওয়া যেতে পারে, তবে ডায়েটিশিয়ান বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

যদি রক্তে পটাশিয়াম বেশি থাকে (Hyperkalemia) : যব খাওয়ার আগে সতর্ক হতে হবে।
পরামর্শ :

ছাতু বা আটার পরিমাণ পরিমিত রাখুন – দিনে ১–২ চামচ যবের ছাতু পানিতে মিশিয়ে বা হালকা গরম করে খাওয়া যেতে পারে।

অতিরিক্ত মধু বা দুধ মেশানো ঠিক নয় – এগুলো অতিরিক্ত পটাশিয়াম বা ফসফরাস যোগ করতে পারে।

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।

স্বাস্থ্য সচেতনদের জন্য ১০০% হোমমেইড যবের ছাতু, যবের আটা

অর্ডার করুন :
www.amadere.comহট লাইন :

09613827475

01615980394

ভালো খান, সুস্থ থাকুন – Amadere™-এর সঙ্গেই থাকুন!

পোস্টটি যদি উপকারী মনে হয়, তবে শেয়ার করুন প্রিয়জনদের সাথে
